দি ইন্টারনেশনাল ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ প্রোগ্রাম (আই ডি আর সি), কানাডা, এর প্যান এশিয়া নেটওয়ার্কিং (প্যান) প্রোগ্রাম-এর মাধ্যমে

 

 

 

IDRC

 

এবং

 

  PAN ASIA

 

 

 

 

 

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব কম্পিউটার এন্ড ইমার্জিং সায়েন্সস (এন ইউ সি ই এস), পাকিস্তান, এর সেন্টার ফর রিসার্চ ইন উর্দু ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (সি আর ইউ এল পি) -এর মাধ্যমে

 

 

 


NUCES 

 

 


CRULP

 

 

আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে প্যান স্থানীয়করণ প্রকল্পের অংশীদার হিসাবে প্রথম দফার ২০০৪ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছি এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় ভাষায় কম্পিউটার কার্যক্রমের জন্য আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানসমূহের এই উন্নয়নের সামর্থ্য সৃষ্টিতে, দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি অংশীদারী উদ্যোগ।

প্যান আঞ্চলিকরণ কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে আঞ্চলিক ভাষা প্রমিতকরণ এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন। এই প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত দেশগুলো (এবং ভাষাসমূহ) ছিল আফগানিস্তান (পশতু) বাংলাদেশ (বাংলা), ভুটান (ঝঙ্কা), কম্বোডিয়া (খামের), লাওস (লাও), নেপাল (নেপালি), এবং শ্রীলঙ্কা (সিনহালা, তামিল) 

এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের শেষে দেশগুলো সাফল্যের সাথে তাদের গবেষণা পরিকল্পনা সম্পন্ন করে, ভাষা প্রযুক্তি এবং এপ্লিকেশন উন্নয়ন সাধন করে। প্রাপ্ত ফলাফলের মধ্যে রয়েছে, ঝঙ্খা এবং নেপালি ভাষায় লিনাক্স বিতরকসমূহের উন্নয়ন; বাংলা, সিংহলি এবং  লাও ভাষার আলোক বর্ণ শনাক্তকারক (ওসিআর) কার্যকরী পদ্ধতরি জন্য সিংহলি, বাংলা ও লাও;  শব্দকণিকা ও বানান পরীক্ষণ কার্যকারিতার জন্য বাংলা, জঙ্খা, খমের, লাও এবং পাঠ্য থেকে বাণী পদ্ধতির জন্য সিংহলি, কীবোর্ড এবং কোলশোন প্রমতিকরণ, ফন্ট এবং অন্যান্য।  সফটওয়্যারের পূর্ণতালিকা এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্র আউটপুট লিংকে উপস্থাপিত হয়েছে।

এই প্রকল্পটি সহযোগী দেশগুলোতে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ভাষা প্রযুক্তি উন্নয়ন করেছে। ভাষাতত্ত্ব, প্রমিত মান উন্নয়ন, উম্মুক্ত কোডভিত্তিক সফটওয়ার আঞ্চলিকরণ, কথা প্রক্রিয়াকরণ, লিপি প্রক্রিয়াকরণ এবং কম্পিউটারায়িত ভাষাতত্ত্বে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ এবং প্রশিক্ষণ কর্মকৌশলসমূহ এবং প্রশিক্ষণের বিবরণ প্রকল্পটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। (কার্যতালিকার লিঙ্কের অধীনে) প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ এবং প্রশিক্ষণ কর্মকৌশলসমূহ এবং প্রশিক্ষণের বিবরণ প্রকল্পটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। (কার্যতালিকার লিঙ্কের অধীনে) ভাষা কম্পিউটারায়ণের ক্ষেত্রে জ্ঞানের অংশভাগিতায় গবেষকগণের এশিয়া নেটওয়ার্কের তৈরি করেছে। প্রকল্পটি গবেষণা পত্র, কার্যকারি পদ্ধতির নথি, ফলাফল এবং পরামর্শ সমূহ প্রকাশ করেছে (এবং করে চলেছে)

প্রান্তিক ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল স্বাক্ষরতাসহ যোগাযোগের জন্য স্থানীয়করণকৃত প্রযুক্তি এবং স্থানীয় ভাষার বিষয়াবলী উন্নয়নে শ্রেষ্ঠত্বের অঙ্গীকার প্রদান করবে প্যান স্থানীয়করণের দ্বিতীয় পর্যায়ে। প্রকল্পটি নির্ধারিত ভাষাসমূহের প্রযুক্তিবিদ্যাকে আরো পরিপূর্ণ করার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রকল্পটির ২য় পর্যায়ের লক্ষ্যসমূহ হচ্ছে:

(১)  পরীক্ষণ কার্যকারিতার অর্থ হলো স্থানীয় ভাষা কম্পিউটারায়ন এবং বিষয়াবলীর ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাক্ষরতার বিকাশ।

(২) আঞ্চলিক ভাষায় কম্পিউটিংয়ে গবেষণা এবং উন্নয়নের জন্য দক্ষ মানব সম্পদের সামর্থের উন্নয়নের অনুসন্ধান, এর অর্থ হলো এশিয় ভাষার জন্য প্রযুক্তিগত সমর্থনের সাহায্যে বর্তমান স্তরের উন্নয়ন করা।

(৩) আঞ্চলিক ভাষার কম্পিউটারায়ণ, বিষয়বস্তুর ব্যবহার এবং উন্নয়নের জন্য সমৃদ্ধ নীতি।

(৪) গ্রাম্য সম্প্রদায়ের দ্বারা স্থানীয় ভাষা প্রযুক্তির আত্মীকরণ, বহুবিধ শৃঙ্খলাযুক্ত গবেষণা বিষয়ের কার্যকারিতার অনুশীলন এবং উন্নয়ন।

সিআরইউএলপি, এনইউসিইএস এর গবেষকগণ এই প্রকল্পটির নেতৃত্ব দিবেন। সিআরইউএলপি এশিয়ার বিভিন্ন সরকারী সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, এবং বেসরকারী শাখা সমূহের আইসিটি গবেষক, ব্যবহারকারী, ভাষাবিদ এবং নীতি প্রণয়নকারীদের সাথে সমন্বয় বিধান করবে। প্রকল্পটির ২য় পর্যায়ের অর্ন্তভূক্ত দেশসমূহ (এবং ভাষাসমূহ) হচ্ছে আফগানিস্থান (পোস্তু), বাংলাদেশ (বাংলা), ভুটান (ঝঙ্খা), কম্বোডিয়া (খমের), চীন (তিব্বতীয়), লাওস (লাও), মঙ্গোলিয়া (মঙ্গোলীয়), নেপাল (নেপালি), পাকিস্থান (উর্দু) এবং শ্রীলঙ্কা (সিংহলি, তামিল)।

২য় পর্যায়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে সহযোগী দেশসমূহের প্রান্তিক ব্যবহারকারীদের প্রথম পর্যায়ে তৈরীকৃত আঞ্চলিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশিক্ষন প্রদান করা যাতে করে আর্থ-সামাজিক কাজের সুফল লাভ। গ্রাম্য জনসাধারণ, ছাত্র, সন্ন্যাসী, সরকারী কর্মচারী, ব্যক্তিগত কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি অধিকাংশ সহযোগী দেশসমূহসহ স্থানীয় ভাষার বিষয়াবলী প্রকাশ এবং প্রবেশ করণের জন্য বিবিধ ধরণের ব্যবহারকারীর প্রশিক্ষনের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পটি হবে অনুশীলন প্রভাবিত পদ্ধতি। এই দলসমূহ নথি প্রক্রিয়াকরণ, ই-মেইল, ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আঞ্চলিক বিষয়বস্তু প্রকাশ করার জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হবে। এই উদ্দেশ্যে অংশগ্রহনকারী দেশগুলোর আঞ্চলিক ভাষায় প্রশিক্ষণ উপাদানসমূহ তৈরী করা হবে।

প্রকল্পের সব ভাষার জন্য স্থানীয় বিষয়াবলী উন্নয়ন করতে প্রার্থিত উপকরণসহ বিভিন্ন বিষয়াবলীর দিকে প্যান আঞ্চলিকরনের ২য় পর্যায়ে দৃষ্টিপাত করবে। প্রাথমিকভাবে এই গবেষণাটি বিভিন্ন সম্প্রদায়, ভাষা এবং দেশসমূহের ব্যবহারকারী দল এবং তাদের আঞ্চলিক ভাষার বিষয়বস্তুর চাহিদা নির্ণয়ের যথোপযুক্ত মডেল নিয়ে কাজ করবে। এটা আঞ্চলিক ভাষার বিষয়বস্তুর অনলাইন প্রকাশনার বর্তমান মানের কার্যকারিতা  পর্যবেক্ষণ করবে। প্রকল্পটি ভাষার বিষয়বস্তু এবং ভাষা সম্পদের উন্নয়ন এবং প্রকাশনার  গবেষণা পত্র কার্যকর ভাবে  তৈরি করবে

দ্বিতীয় পর্বের লক্ষ্য হচ্ছে সুসংহত করে পরবর্তীতে পুরো অঞ্চলের ভাষা এবং উদ্ভুত চলমান পদ্ধতির উন্নততর প্রান্তিক ব্যবহারকারী প্রয়োগণসমূহকে  উন্নত করাস্থানীয় ভাষা প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য  স্থানীয় ভাষার প্রমিতকরণ, উপকরণসমূহ এবং ফ্রেমওয়ার্ক সুপ্রাপ্যতা উন্নয়ন করতে এই গবেষণা হবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা এবং কার্যকারিতার অনুশীলন। পরিকল্পিত উপাদন কথা প্রক্রিয়াকরন পদ্ধতি, লেখা থেকে কথা, উন্মুক্ত অফিস আঞ্চলিকীকর, চলমান প্রয়োগসমূহ লিনাক্স বিতরসমূহ, ভাষা প্রক্রিয়াকর পদ্ধতিসমূহ যেমন, ট্যাগকৃত ভাষাংস, সমান্তরাল ভাষাংস, শব্দকণিকা, শব্দ বিভাজন প্রয়োগনসমূহ এবং রূপতাত্ত্বিক ও বাক্যতাত্ত্বিক বিশ্লেষণসমূহকে অন্তর্ভূক্ত করা। সহযোগী দেশগুলোর বহু ভাষায় এই প্রয়োগনগুলোর উন্নয়ন হবে।

প্রকল্পটি আঞ্চলিক ভাষা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং উচ্চায়ন, প্রশিক্ষণ ও বিষয়বস্তু, মূল্যায়ন কৌশলগুলোর নীতি সংরক্ষও দেখবে এই অঞ্চল বিস্তৃত পদক্ষেপ বিশেষভাবে এশিয়ার গ্রামীণ এলাকার অ-ইংরেজী ভাষাভাষী মানুষদের, যারা এইসব অঞ্চলের ডিজিট্যাল-সুবিধাবঞ্চিত জনসংখ্যা গঠন করে, তাদের উপকার করবে